1
1
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ মঙ্গলবার এই আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আজ এ মামলার সূচনা বক্তব্য লিখিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। সূচনা বক্তব্য প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে পাঠ করে শোনানো হয়নি। পরে এই মামলার প্রথম সাক্ষী এম এ রাজ্জাক সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়েই মূলত এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এ মামলার সব আসামিই পলাতক।
আজ জবানবন্দিতে সাক্ষী এম এ রাজ্জাক বলেন, তিনি ‘মেডলার গ্রুপ’-এ চাকরি করতেন। বর্তমানে অবসর জীবনযাপন করছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তাঁর ছেলে মো. আসিফ ইকবাল আন্দোলনে মারা যান।
এম এ রাজ্জাক বলেন, তাঁর ছেলে মনিপুর স্কুলে লেখাপড়া করত। দারাজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরিও করত। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কোটা আন্দোলনের জন্য মিরপুর-১০ এলাকায় যায়। ওই দিন শুক্রবার ছিল।
তারপর প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এম এ রাজ্জাকের জবানবন্দি দেওয়া আজকের মতো সমাপ্ত রাখার আবেদন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামীকাল বুধবার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।